Sunday, August 31, 2025
HomeScrollকেমব্রিজ থেকে PhD করেও অমিল চাকরি, তবুও হাল ছাড়েননি মারিকা

কেমব্রিজ থেকে PhD করেও অমিল চাকরি, তবুও হাল ছাড়েননি মারিকা

ওয়েব ডেস্ক: উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হলেই যে ভবিষ্যৎ নিশ্চিত নয়, তা আরও একবার প্রমাণিত হল। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় (Cambridge University) থেকে পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি (PhD) করেও চাকরি (Job) পেতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হল এক পড়ুয়াকে। মারিকা নিহোরি (Marika Niihori) নামের ওই ছাত্রীর বাস্তব অভিজ্ঞতা শুনলে আপনিও অবাক হবেন। কারণ পিএইচডি-র মতো ডিগ্রি অর্জন করা সত্ত্বেও তাঁকে চাকরি দিল না ৭০টি সংস্থা। একের পর এক ইন্টারভিউতে (Interview) ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। কিন্তু কেন? চলুন এই ঘটনা সম্পর্কে একটু সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Dr Marika Niihori (@cambridgram)

অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দা মারিকা উচ্চশিক্ষার জন্য ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি শুরু করেন এবং কঠোর পরিশ্রমের পর ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। চার বছর ধরে গবেষণার পর যখন তাঁর হাতে সেই স্বপ্নের ডিগ্রি এল, তখন সবাই ধরে নিয়েছিলেন, এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। একের পর এক চাকরির প্রস্তাব তাঁর দরজায় কড়া নাড়বে। কিন্তু বাস্তবে হল উল্টোটা।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Dr Marika Niihori (@cambridgram)

আরও পড়ুন: পৃথিবীতে ফিরেই কি হাঁটতে পারবেন সুনীতারা!

মারিকা ভেবেছিলেন, কেমব্রিজের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রি নেওয়ার পর তাঁকে চাকরির জন্য অন্তত বেশি লড়াই করতে হবেনা। কিন্তু চাকরির জন্য আবেদন করতেই খেলেন একের পর এক ধাক্কা। মারিকার পরপর ৭০টি চাকরির আবেদন বাতিল হয়ে যায়! এই কঠিন পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে মারিকা চরম হতাশার মধ্যে দিয়ে যান। তিনি ইনস্টাগ্রামে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে লেখেন, “আমি ভাবতেই পারিনি চাকরি খোঁজা এতটা কঠিন হবে। আমি বিশ্বাস করেছিলাম, পিএইচডি শেষে আমার কেরিয়ারের পথটা আরও পরিষ্কার হবে। কিন্তু বাস্তবে একের পর এক রিজেকশন আমাকে ভেঙে দেয়।”

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Dr Marika Niihori (@cambridgram)

অজি পড়ুয়া মারিকা আরও জানান, এই সময় তিনি বারবার ভাবতে শুরু করেন, যাঁরা তাঁর মতো উচ্চশিক্ষার পথে না গিয়ে অন্য পেশায় যুক্ত হয়েছেন, তাঁরা কতটা এগিয়ে গিয়েছেন। অনেকেই প্রতিষ্ঠিত, সফল। আর তিনি? এত উচ্চশিক্ষা নিয়েও অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে। ফলে ভবিষ্যৎ নিয়ে দোটানার পাশাপাশি লন্ডনের মতো শহরে একাকীত্বও গ্রাস করেছিল তাঁকে। তবে এই কঠিন সময়েও হাল ছাড়েননি মারিকা। তাই শেষ পর্যন্ত, তিনি একটি বায়োটেক স্টার্টআপে কাজের সুযোগ পান। পছন্দের না হলেও এখন এই চাকরি তাঁর জন্য এক নতুন আশার আলো হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দেখুন আরও খবর:

Read More

Latest News